পর্তুগালে বিমানবন্দরে দীর্ঘ লাইন, সরকার বলছে এটি ইউরোপীয় সমস্যা
পর্তুগালের বিমানবন্দরে যাত্রীদের দীর্ঘ লাইন ও দেরি নিয়ে সরকার বলেছে, এটি শুধু পর্তুগালের সমস্যা নয়, বরং ইউরোপের একটি বড় সমস্যা। হুগো এস্পিরিতো সান্তো, পর্তুগালের একজন মন্ত্রী, জানিয়েছেন যে আমস্টারডাম, মিলান, মিউনিখ ও টেনেরিফের বিমানবন্দরেও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। নতুন ইউরোপীয় সীমানা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (EES) চালু হওয়ার পর থেকে এই সমস্যা বেড়েছে। জার্মানির বিভিন্ন বিমানবন্দরে প্রযুক্তিগত সমস্যা ও কর্মী সংকটের কারণে দীর্ঘ অপেক্ষার কথা জানা গেছে। পর্তুগালের সরকার বলেছে তারা এই সমস্যার সমাধানে কাজ করছে, বিমানবন্দরগুলোর সক্ষমতা বাড়াচ্ছে এবং প্রযুক্তি ও কর্মী বাড়াচ্ছে। যদিও ইউরোপীয় কমিশন বলেছে, নতুন সিস্টেমের কারণে অপেক্ষার সময় খুব বেশি নয়, পর্তুগালের সরকার তা মানছে না এবং বলছে দায় চাপানো ঠিক নয়। ব্রিটেনের সংবাদমাধ্যমগুলো পর্তুগালের বিমানবন্দরকে ইউরোপের সবচেয়ে খারাপ উদাহরণ হিসেবে দেখাচ্ছে। কিছু যাত্রী ৬ ঘণ্টার বেশি সময় লাইনে দাঁড়িয়েছেন বলে দাবি করেছেন, যদিও পর্তুগাল কর্তৃপক্ষ অপেক্ষার সময় দুই ঘণ্টার মতো বলেছে। ব্রিটেন সরকারও ইউরোপীয় সীমান্তে অপেক্ষার জন্য সতর্কতা দিয়েছে এবং ভ্রমণকারীদের আগে থেকে প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। নর্ডিক দেশগুলোর সংবাদমাধ্যমও ইউরোপের বড় বড় বিমানবন্দরে দীর্ঘ লাইন নিয়ে সতর্কতা দিয়েছে। এই সমস্যার কারণে ইউরোপে ভ্রমণকারীদের জন্য সময় ও পরিকল্পনা নিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
মূল খবরটি পড়ুন — SAPOsapo.pt · Portuguese

