রাজনৈতিক সংকটে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের মিল ও পার্থক্য
ইউরোপের দুই প্রধান দেশ ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্য বর্তমানে রাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। এই দুই দেশই রাজনৈতিক ও সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য এবং পারমাণবিক অস্ত্রধারী। ফ্রান্সে আগামী এক বছরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে ডানপন্থী দল আরএন (National Rally) প্রায় ৩০% ভোট পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বামপন্থী দল লা ফ্রান্স আনসাম্বল (LFI) প্রায় ১০% ভোট পাবে। ফলে ৪০% ভোট দুই প্রান্তের রাজনৈতিক দলের মধ্যে ভাগ হতে পারে, যা ইউরোপীয় সংহতি ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য উদ্বেগের কারণ। মধ্যপন্থী দলগুলো বিভক্ত, যার ফলে ডানপন্থী প্রার্থীর জয় সম্ভাবনা বেড়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে, যুক্তরাজ্যে সম্প্রতি স্থানীয় নির্বাচনগুলোতে লেবার পার্টির নেত্রী কির স্টারমারের জনপ্রিয়তা কমেছে। যদিও তিনি দুই বছর আগে ক্ষমতায় এসেছিলেন, এখন তার সরকার নানা অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক সংকটের মুখোমুখি। যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখনও অনিশ্চিত। লেখক মনে করেন, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের এই রাজনৈতিক সংকট ইউরোপের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতি ইউরোপীয় নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন — telos-eu.comtelos-eu.com · French
:format(jpeg)/6/5/d/b6aff8af962c4c3d83877b6bd3221d56.jpg)


