ইউরোপে হরমুজ প্রণালী বন্ধে ৪২ বিলিয়ন ইউরো খরচ, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট বাড়ছে
ইতালির করিয়েরে দেলা সেরা সংবাদমাধ্যম জানায়, মধ্যপ্রাচ্যের হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় ইউরোপে প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ইউরো খরচ হচ্ছে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায়। এই অবস্থা চলতে থাকলে ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার মতো বিশ্বব্যাপী সংকট দেখা দিতে পারে। রাপিডান এনার্জি গ্রুপের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, যদি এই প্রণালী জুলাই পর্যন্ত বন্ধ থাকে, তাহলে তেলের চাহিদা কমে যাবে দিনে ২৬ লাখ ব্যারেল এবং ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১৩০ ডলারে পৌঁছাবে। আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকলে তেলের ঘাটতি আরও বাড়বে। ইউরোপীয় কমিশনের Ursula von der Leyen জানিয়েছেন, ইতোমধ্যেই ৮৪ দিন ধরে এই সংকট চলছে এবং ৪২ বিলিয়ন ইউরো খরচ হয়েছে শুধু জ্বালানিতে। হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে প্রায় ২০০০ জাহাজ আটকে আছে, যা বিশ্ববাজারে সরবরাহ ও পরিবহনে বড় সমস্যা তৈরি করছে। সার, রাসায়নিক, নির্মাণ সামগ্রী ও খাদ্যশস্যের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণও এই পথে আসে। খাদ্য ও সার সংকটের কারণে আগামী বছর বিশ্বে খাদ্য মূল্য বৃদ্ধি ও উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই সংকটের প্রভাব ইতিমধ্যেই ইউরোপের অর্থনীতিতে পড়ছে, যেখানে প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমানো হয়েছে এবং মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ হলো জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়তে পারে এবং অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন — Quotidiano Nazionalequotidiano.net · Italian




