নরওয়েতে শরণার্থী নীতিতে ডেনমার্কের কঠোর মডেল অনুসরণ
নরওয়ের শরণার্থী নীতিতে ডেনমার্কের সামাজিক গণতান্ত্রিক দলের কঠোর নীতির প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে নরওয়ের শাসক দল আর্বেইডারপার্টি (Ap) তাদের ডেনিশ সহযোগী দলের নীতিমালা থেকে অনুপ্রেরণা নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেনের নেতৃত্বে সামাজিক গণতান্ত্রিক দল শরণার্থীদের জন্য কঠোর নিয়ম চালু করেছে, যেমন শরণার্থী আবেদন বন্ধ করা, রুয়ান্ডায় শরণার্থী শিবির স্থানান্তর এবং শরণপ্রাপ্তদের দ্রুত দেশে ফেরত পাঠানো। নরওয়েতে যদিও এতটা কঠোরতা নেই, তবুও আর্বেইডারপার্টি শরণার্থী সংখ্যা সীমিত করতে এবং কোটা শরণার্থীদের অগ্রাধিকার দিতে নীতিমালা পরিবর্তন করেছে। তারা শরণার্থী, পরিবার পুনর্মিলন এবং কোটা শরণার্থী সংখ্যা একসাথে বিবেচনা করে নিয়ন্ত্রণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এই নীতি জাতিসংঘের পরামর্শের বিরোধী, কারণ জাতিসংঘ প্রতি বছর নরওয়েকে ৫০০০ কোটা শরণার্থী গ্রহণের আহ্বান জানায়। এছাড়া, নরওয়ে সরকার আফগানিস্তান থেকে ফিরে আসা অনেক শরণার্থীকে ফেরত পাঠাচ্ছে, যা জাতিসংঘের পরামর্শের বিপরীত। ইউক্রেন থেকে আসা শরণার্থীদের জন্য সাময়িক অবস্থান দেওয়া হলেও ফেরত পাঠানোর বিষয়ে বিতর্ক চলছে। সাম্প্রতিক সময়ে নরওয়ের শ্রম ও অন্তর্ভুক্তি মন্ত্রী টোনজে ব্রেনা ডেনমার্ক সফর করে তাদের শরণার্থী ও প্রত্যাবাসন নীতি সম্পর্কে শিখেছেন এবং বিতর্কিত প্রস্তাবের প্রতি ইতিবাচক সঙ্কেত দিয়েছেন। সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ হলো, নরওয়েতে শরণার্থী নীতি কঠোর হওয়ায় আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য সুযোগ কমে আসছে এবং প্রত্যাবাসন বাড়ছে।
মূল খবরটি পড়ুন — Panorama nyheterpanoramanyheter.no · Danish




