ডেনমার্কের কঠোর অভিবাসন নীতির পেছনে রাজনৈতিক কারণ ও প্রভাব
ডেনমার্কের সাবেক ইন্টিগ্রেশন মন্ত্রী বার্টেল হার্ডার এই মুহূর্তে পশ্চিমা বিশ্বের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বৃদ্ধির পেছনে অভিবাসনকেই মূল কারণ হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প, ইংল্যান্ডের ব্রেক্সিট, ফ্রান্সের লে পেন, জার্মানির AfD, ইতালির লেগা নর্ড এবং নেদারল্যান্ডসের ওয়াইল্ডার্সসহ অনেক দেশের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের মূল চালিকা শক্তি অভিবাসন। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনও পশ্চিমা সীমান্তে অভিবাসীদের চাপিয়ে এই বিভাজন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। হার্ডার ডেনমার্কের কঠোর অভিবাসন নীতির প্রশংসা করেছেন, যা ২০০১ সালে তার মন্ত্রীত্বকালে শুরু হয়েছিল। তিনি বলেন, তখনকার নীতিগুলো নতুন আগতদের অতিরিক্ত সুরক্ষা না দিয়ে কাজের সুযোগ দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছিল। ডেনমার্কের সামাজিক গণতান্ত্রিক দলও এখন কঠোর অভিবাসন নীতি গ্রহণ করেছে, যদিও অতীতে তারা বিরোধিতা করত। হার্ডার উল্লেখ করেন, ডেনমার্কের এই নীতিগুলো আন্তর্জাতিক সমঝোতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল এবং অন্যান্য দেশ এখন তাদের অনুসরণ করতে চায়। তিনি সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের শ্রমবাজারের মুক্ত প্রবাহ নীতির কারণে দেশগুলোর নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ কমে গেছে, যা সমস্যা সৃষ্টি করেছে। এছাড়া, মার্কিন ডেমোক্র্যাটদের নরম অভিবাসন নীতি অনেক ভোটারকে বিরক্ত করেছে। এই নিবন্ধটি ডেনমার্কের আলটিংগেট পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল এবং নরওজীয় ভাষায় অনূদিত। সাধারণ মানুষের জন্য এর অর্থ হলো, ডেনমার্কের মতো দেশগুলো অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর হলে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও সামাজিক নিরাপত্তা বাড়তে পারে, কিন্তু অভিবাসীদের জন্য সুযোগ সীমিত হতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন — Altinget.noaltinget.no · Danish




