জার্মানিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: বিপ্লবী প্রযুক্তি ও কর্মসংস্থানের ভবিষ্যত
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (কেআই) এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রযুক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। জার্মানির কর্মজীবীদের মধ্যে কেআই ব্যবহার মাত্র দুই ঘণ্টা কাজের সময় বাঁচাচ্ছে প্রতি সপ্তাহে। তবে এর সঙ্গে কাজ হারানোর ভয়ও বাড়ছে। প্রতি চার জন যুবকের মধ্যে একজন মনে করে কেআই তাদের পেশাগত ভবিষ্যতকে হুমকির মুখে ফেলবে। অনেকেই ভাবছেন, ডাক্তার আর নিজেরাই রোগ নির্ণয় করবেন না, স্থপতি নিজেরাই ডিজাইন করবেন না, ফলে পেশার পরিচয় কী থাকবে? এই প্রযুক্তি অনেক পেশাজীবীকে প্রতিস্থাপন করতে পারে, বিশেষ করে যারা কম দক্ষতা সম্পন্ন। তবে কেআই জার্মান অর্থনীতির জন্য সুযোগও তৈরি করতে পারে। দেশটির উচ্চ মজুরি, দক্ষ জনশক্তির অভাব ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কেআই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর সফল ব্যবহার চাইলে নিয়োগ ও ছাঁটাই নীতিতে নমনীয়তা আনতে হবে। শুধু মানুষের কাজ মেশিনে বদলানো নয়, বরং তাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য কেআই ব্যবহার করতে হবে। যারা কর্মীদের নতুন প্রযুক্তি শেখার সুযোগ দিবে, তারা সফল হবে। ইতিহাস থেকে দেখা যায়, যারা দ্রুত প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে, তারা বেশি উন্নতি করেছে। তাই জার্মানির উচিত কেআই প্রযুক্তিকে দ্রুত কাজে লাগানো এবং কর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো।
মূল খবরটি পড়ুন — FAZfaz.net · German



:quality(90)/p7i.vogel.de/wcms/d9/82/d9820ff47f656e69baa7a9e3de52d551/0132431811v1.jpeg)
