পর্তুগালের স্বাস্থ্যসেবায় বিদেশি রোগীর চাপ বেড়েছে
পর্তুগালের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (SNS) এখন শুধু দেশবাসীর জন্য নয়, অনেক বিদেশি রোগীর জন্যও সেবা দিচ্ছে। বিশেষ করে অবস্থা খারাপ হয়েছে গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে। অনেক গর্ভবতী নারী, যারা নিয়মিত চিকিৎসা করাননি, শেষ মুহূর্তে পর্তুগালে এসে সন্তান জন্ম দেন। তারা মূলত দক্ষিণ এশিয়ার দেশ যেমন ভারত, বাংলাদেশ থেকে আসছেন। এছাড়া আফ্রিকার কিছু দেশ থেকেও অনেকে আসেন। সম্প্রতি লিসবনের এক বাড়িতে ২০ জনের বেশি গর্ভবতী নারী থাকার ঘটনা ধরা পড়েছে, যারা সংগঠিতভাবে এখানে এসেছেন। শুধু গর্ভধারণ নয়, ক্যান্সার ও নিউরোসার্জারির মতো অন্যান্য বিশেষায়িত চিকিৎসাও বিদেশি রোগীরা নিচ্ছেন। ২০২৪ সালের একটি সরকারি রিপোর্টে দেখা গেছে, বিদেশি রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে এবং তাদের অনেকেরই স্বাস্থ্য বীমা বা প্রোটোকল নেই। হাসপাতাল প্রশাসকরা এই সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে সমাধান চাচ্ছেন। তারা বলছেন, এই অবস্থা নিয়ন্ত্রণ না করলে পর্তুগালের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়বে। বিশেষ করে লিসবন ও আলগার্ভ অঞ্চলে এই সমস্যা বেশি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও সংসদ এখনো এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এই পরিস্থিতি সাধারণ পর্তুগিজ নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন — Observadorobservador.pt · Portuguese


