ফ্রান্সে পশ্চিম নীল ভাইরাসে তিনজনের মৃত্যু, সংক্রমণ বেড়েছে
ফ্রান্সে পশ্চিম নীল ভাইরাসের সংক্রমণ এই বছর অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। এই ভাইরাসটি সাধারণ মশার মাধ্যমে ছড়ায়, যা সংক্রমিত পাখিদের কামড়ায়। মানুষ সাধারণত এই ভাইরাস ছড়াতে পারে না, তবে রক্তদান বা অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে খুবই বিরল ক্ষেত্রে ছড়াতে পারে। ৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে কোনো লক্ষণ দেখা যায় না, কিন্তু ২০ শতাংশে জ্বর, চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ঘাড়ে শক্তি অনুভূত হয়। ১ থেকে ৫ শতাংশ ক্ষেত্রে নিউরোলজিক্যাল সমস্যা হয়, যা স্থায়ী হতে পারে। ইতালি ও গ্রীস বছরে কয়েক ডজন মৃত্যুর ঘটনা দেখে। ইউরোপে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভাইরাসের বিস্তার উত্তর দিকে বাড়ছে। ফ্রান্সে ২০১৮ থেকে সংক্রমণ বাড়ছে, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে মশার উপস্থিতি বেশি ও আবহাওয়া উষ্ণ থাকার কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। ২০২৬ সালে ফ্রান্সে ১৪৫টি সংক্রমণ হয়েছে, যা গত বছরের ৬২টির দ্বিগুণের বেশি। তিনজন মারা গেছেন, সবাই আইলে-দে-ফ্রান্স অঞ্চলে। নতুন করে ইসেরে, ড্রোম ও রোন অঞ্চলেও ভাইরাস পাওয়া গেছে। ইউরোপে ২০২৬ সালের মরসুমটি রেকর্ড হতে যাচ্ছে, ইতালি ও গ্রীস সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত। পশ্চিম নীল ভাইরাসের কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই, তাই মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়াই একমাত্র উপায়। মশার ধরন সাধারণ ইউরোপীয় মশা, টাইগার মশা নয়। এই ভাইরাসের বিস্তার ও মৃত্যুর খবর ফ্রান্সের স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউরোপীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে জানা গেছে।
মূল খবরটি পড়ুন — Le Dauphiné Libéréledauphine.com · French
:format(jpeg)/s/c/h/phpvb2hcs.jpg)


