পর্তুগাল ইউরোপের অভিবাসনে মডারেট দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম
পর্তুগালের অভিবাসন বিষয়ক সচিব রুই আর্মিন্ডো ফ্রেইতাস বলেছেন, পর্তুগাল এখনো ইউরোপের মধ্যে অভিবাসনে মডারেট বা মধ্যপন্থী দেশগুলোর একটি। তিনি বলেন, অভিবাসন নীতি এমন হওয়া উচিত যা গ্রহণযোগ্যতা ও স্পষ্ট নিয়মের মধ্যে ভারসাম্য রাখে। অতিরিক্ত শিথিলতা বা চরম বিরোধিতা উভয়ই ক্ষতিকর। পর্তুগাল অভিবাসন বিরোধী নয়, তবে নিয়ন্ত্রিত ও সুসংগঠিত অভিবাসন চায়। তিনি স্বীকার করেন, অভিবাসনের কারণে হাউজিং ও স্বাস্থ্যসেবায় চাপ বেড়েছে। ২০২৪ সালে প্রায় ৫ লাখ পেন্ডিং অভিবাসন প্রক্রিয়া ছিল, যা নিয়মিতকরণে ৯৮% সমাধান হয়েছে। অভিবাসন অর্থনীতিতে অবদান রাখে, তবে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে অর্থনীতির উন্নতি নয়। তিনি বলেন, অভিবাসন নীতিতে অর্থনীতির চাহিদা ও সামাজিক সংহতির মধ্যে সমন্বয় থাকা জরুরি। পর্তুগাল ইউরোপের বাইরে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর কেন্দ্র স্থাপনের বিরোধিতা করে। পর্তুগাল শেঙ্গেন অঞ্চল থেকে সাসপেনশন চায়নি, যদিও স্পেন চেয়েছিল। পর্তুগাল নতুন শরণার্থী গ্রহণ নিয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সরকার একটি জাতীয় অভিবাসন ইন্টিগ্রেশন পরিকল্পনা তৈরি করছে, যা বিদেশিদের সমাজে অন্তর্ভুক্তির জন্য কাজ করবে। ২০২৬ সালে ৫৬ হাজার পরিবারের পুনর্মিলন আবেদন হয়েছে। তিনি PS-কে অভিবাসন নিয়ে বাস্তবতা অস্বীকার করার অভিযোগ করেছেন। বর্তমান সরকার অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর নিয়ম চালু করেছে, তবে দরজা বন্ধ নীতিতে বিশ্বাস করে না।
মূল খবরটি পড়ুন — Jornal SOLsol.iol.pt · Portuguese


