পোল্যান্ডের রাজনৈতিক সংকট নিয়ে ফ্রান্সে বিতর্ক, মারিন লে পেনের ভূমিকা
ফ্রান্সের রাজনীতিতে পোল্যান্ডের রাজনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা তীব্র হয়েছে। মারিন লে পেন, ফ্রান্সের এক প্রভাবশালী ডানপন্থী নেতা, পোল্যান্ডের সংবিধানিক আদালতের প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক স্থগিতাদেশকে 'সরকারি অভ্যুত্থান' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। পোল্যান্ডে ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা ড্রয়েট ই জাস্টিস (PiS) দল সংবিধানিক আদালতে তাদের সমর্থক বিচারকদের নিয়োগ দেয়, যা ইউরোপীয় কমিশন ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান স্বাধীন বিচার ব্যবস্থার লঙ্ঘন হিসেবে দেখেছে। ২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসা প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক এই নিয়োগ পুনর্বিবেচনার চেষ্টা করছেন, যা পোল্যান্ডে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়েছে। মারিন লে পেন এই সংকটকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখিয়ে পোল্যান্ডের ডানপন্থী ও চরম ডানপন্থী গোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাদোস্লাও সিকোরস্কি এবং ফ্রান্সের কিছু রাজনীতিক মারিন লে পেনের এই অবস্থানকে সমালোচনা করেছেন। তারা বলেছেন, পোল্যান্ডের সরকার গণতান্ত্রিক ও ইউরোপীয় সমর্থক এবং মারিন লে পেনের বক্তব্য রাজনৈতিক প্রপাগান্ডার অংশ। এই বিতর্ক ফ্রান্সে ইউরোপীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
মূল খবরটি পড়ুন — Le HuffPosthuffingtonpost.fr · French




