পোডেমোসের সাধারণ সম্পাদক ইওন বেলারা শনিবার প্রশ্ন তুলেছেন, "স্পেন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হলে কি একজন দেশবাসীর প্রাণ দিতে হবে?" তিনি ইসরায়েলকে 'সন্ত্রাসী রাষ্ট্র' হিসেবে অভিহিত করে বলেন, গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার সদস্যদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে তার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেন। বেলারা দাবি করেন, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখে, তবে তারা পুরো বিশ্বকে ধ্বংস করবে। তিনি আন্তর্জাতিকভাবে ইসরায়েলকে বিচ্ছিন্ন করার এবং তাদের সামরিক ক্ষমতা নষ্ট করার আহ্বান জানান। এছাড়া, তিনি কিউবার বর্তমান সংকট নিয়ে আলোচনা করেন এবং স্পেনের সরকারের প্রতি আহ্বান জানান যেন তারা কিউবার জনগণের পাশে দাঁড়ায়।
মূল খবরটি পড়ুন →রাজনীতি
🇪🇸 স্পেন · 12 খবর

স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জোসে লুইস জাপাতের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সাঞ্চেজের সরকারের জন্য নতুন সংকট সৃষ্টি করেছে। বিচারক হোসে লুইস কালামা অভিযোগ করেছেন যে, জাপাতে ২০২০ সালে প্লাস আল্ট্রা এয়ারলাইন্সের উদ্ধারকাজে অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করেছেন এবং এর জন্য ৫৩ মিলিয়ন ইউরো সরকারি সহায়তা পেয়েছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি দুই মিলিয়ন ইউরো কমিশনও নিয়েছেন। এটি স্পেনে প্রথমবারের মতো কোনো সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। জাপাতে আগামী ২ জুন বিচারকের সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে। তিনি অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে, তার সমস্ত কার্যক্রম আইনগতভাবে সঠিক ছিল। এই পরিস্থিতি স্পেনের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন →স্পেনের জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং আবাসন সংকট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জনসংখ্যাবিজ্ঞানী হুয়ান আন্তোনিও মোডেনেস। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ২০.৫% ভাড়াটে আবাসন সংকটে রয়েছে, যা করোনার আগে থেকে ২৫% বেশি। মোডেনেস জানান, এটি একটি সাময়িক সমস্যা নয়, বরং রাজনৈতিক এবং জনসংখ্যাগত নীতির মধ্যে একটি গঠনমূলক বিচ্ছিন্নতা। তিনি সতর্ক করেছেন যে, যদি দ্রুত পরিবর্তন না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। আবাসনের অভাব মানুষের জীবনযাত্রার সিদ্ধান্তে বাধা সৃষ্টি করছে। এদিকে, সিএইআর-এর কর্মী কারমেন রুইজ জানান, তারা এখন পরিবারগুলোর জন্য ঘর খুঁজছেন, কারণ একক আবাসনের খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই সংকটের একটি উদাহরণ হিসেবে, একজন পেরুভিয়ান মা তার তিন সন্তানের সাথে একটি ঘরে বসবাস করছেন, যেখানে তাদের জন্য একটি মাত্র বিছানা।
মূল খবরটি পড়ুন →
স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে শনিবার (২৩ মে ২০২৬) ১২০,০০০ এরও বেশি মানুষ পেদ্রো সাঞ্চেজের পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদে অংশ নেন। এই প্রতিবাদটি ১৫০টিরও বেশি নাগরিক সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত 'সোসিয়েদাদ সিভিল স্প্যানিওলা' দ্বারা আয়োজিত হয় এবং এটি কনজারভেটিভ পার্টি পপুলার ও চরম ডানপন্থী ভক্সের সমর্থন পায়। প্রতিবাদকারীরা সাঞ্চেজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং অভিযোগ করেন যে স্পেন একটি দুর্নীতিগ্রস্ত গ্যাংয়ের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। পপুলার পার্টির সিনেটর অ্যালিসিয়া গার্সিয়া বলেন, জনগণ প্রতিদিন নতুন দুর্নীতির কাহিনী শুনতে শুনতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। ভক্সের নেতা সান্তিয়াগো আবাসকাল অভিযোগ করেন যে সাঞ্চেজ ক্ষমতায় থাকার জন্য নির্বাচন বিলম্বিত করতে চান। এই প্রতিবাদ স্পেনের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মূল খবরটি পড়ুন →
স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ইভান রেডন্ডো সম্প্রতি একটি বই প্রকাশ করেছেন, যেখানে তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও সংবিধান সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে ইতিবাচক আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। রেডন্ডো মনে করেন, স্পেনের রাজনৈতিক আলোচনায় একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন, যা দেশের সকল নাগরিকের জন্য কার্যকর হবে। তিনি ২০১৮ সালের মোকশন অফ সেঞ্চুরের তিনটি মূলনীতির কথা উল্লেখ করেন, যা এখনও প্রাসঙ্গিক। রেডন্ডো আশা করেন, আগামী নির্বাচনে একটি ইতিবাচক স্পেনের ধারণা তুলে ধরা হবে।
মূল খবরটি পড়ুন →
বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। বর্তমানে, গণতান্ত্রিক শাসনের সংখ্যা কমছে এবং স্বৈরতন্ত্রের দিকে অগ্রসর হচ্ছে অনেক দেশ। বিশেষ করে, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের অবনতি ঘটেছে, যেখানে এক বছরে তাদের অবস্থান ২০ থেকে ৫১-এ নেমে এসেছে। বর্তমানে, যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক সূচক ৫৭%। অন্যদিকে, স্পেনের অবস্থান উন্নতি হয়েছে, বর্তমানে তারা ২১ নম্বরে রয়েছে এবং তাদের গণতান্ত্রিক সূচক ৭৪%। স্পেনের বর্তমান সরকার একটি প্রগতিশীল সরকার, যা গণতন্ত্রের উন্নয়নে কাজ করছে। তবে, বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্রের অবস্থা আশাব্যঞ্জক নয়, যেখানে ৭৪% মানুষ এখন স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অধীনে বাস করছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিস্থিতি একটি নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকে ইঙ্গিত করছে।
মূল খবরটি পড়ুন →
স্পেনে শিক্ষার বিষয়টি রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে সরে যাচ্ছে, যদিও চারটি অঞ্চলে শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন। সাম্প্রতিক নির্বাচনে শিক্ষা বিষয়টি গুরুত্ব পায়নি, বরং অভিবাসন, স্বাস্থ্য এবং যুবক বিষয়গুলো আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে, কারণ তারা শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বিগ্ন। সম্প্রতি, কাতালোনিয়া, কমিউনিটি ভ্যালেন্সিয়া, আরাগন এবং মাদ্রিদে শিক্ষকরা আন্দোলনে নেমেছেন, যার মধ্যে রয়েছে বেতন বৃদ্ধির দাবি এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সহায়তা। শিক্ষকদের মধ্যে ব্যাপক পদত্যাগের ঘটনাও ঘটছে, যা শিক্ষার অবস্থার অবনতির ইঙ্গিত দেয়।
মূল খবরটি পড়ুন →
স্পেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলিপ গঞ্জালেসকে আনা ফ্রাঙ্ক পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। এই পুরস্কারটি গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা, ইউরোপীয় একীকরণ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি প্রক্রিয়ায় তার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়। শুক্রবার মাদ্রিদে আন্তর্জাতিক শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থার (OEI) সদর দফতরে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। গঞ্জালেস তার বক্তব্যে বলেন, 'আমাদের মধ্যে আলোচনা ও মতবিরোধের জায়গা খুঁজে বের করতে হবে।' তিনি ১৯৮২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত স্পেনের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তার নেতৃত্বে স্পেন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংস্কার করেছে। আনা ফ্রাঙ্ক পুরস্কারটি সমাজে ন্যায়বিচার ও মানবাধিকারের প্রতি প্রতিশ্রুতির জন্য দেওয়া হয়।
মূল খবরটি পড়ুন →স্পেনের কৃষিমন্ত্রী লুইস প্লানাস ইউরোপীয় কমিশনের সার পরিকল্পনায় আরও অর্থায়ন ও নির্দিষ্ট সময়সীমার দাবি করেছেন। তিনি বলেন, স্পেন সরকার ইতিমধ্যে কৃষকদের সহায়তার জন্য ৫০০ মিলিয়ন ইউরো বরাদ্দ করেছে, কিন্তু এটি যথেষ্ট নয়। ইউরোপীয় কমিশনের পরিকল্পনাটি সার উৎপাদন বাড়ানোর এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন অর্জনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তবে প্লানাস মনে করেন যে কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত অর্থায়ন এবং একটি বিস্তারিত সময়সূচি প্রয়োজন। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে নজরদারি বাড়ানোর এবং কৃষি সরঞ্জামের সরবরাহে চাপ এড়ানোর জন্য সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন। এছাড়াও, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐক্য রক্ষা করার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মূল খবরটি পড়ুন →
১৯৯৬ সালের ২৮ মে, স্পেনের কমপ্লুটেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হুয়ান পাবলো ফুসি স্পেনে ৯৮ সালের পরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, স্পেনে ওই সময়ের পর অনেক পরিবর্তন হয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে নতুনভাবে গঠন করেছে। ফুসি দাবি করেন, স্পেনের পরাজয়ের পর রাজতন্ত্রের প্রতি অবিশ্বাস সৃষ্টি হয়নি এবং জাতীয়তাবাদী প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। তিনি উল্লেখ করেন যে, স্পেনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ছিল, তবে এটি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের তুলনায় অনেক পিছিয়ে ছিল। এছাড়াও, পুয়ের্তো রিকোর রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন অ্যাস্ট্রিড কুবানো, যেখানে তিনি বলেন, সেখানে রাজনৈতিক পরিবর্তনগুলো কিভাবে ঘটেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের আগমনের পর পরিস্থিতি কিভাবে বদলেছে। এই আলোচনা শেষে, দর্শকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
মূল খবরটি পড়ুন →