:format(jpeg)/6/5/d/b6aff8af962c4c3d83877b6bd3221d56.jpg)
রাজনীতি
🇫🇷 ফ্রান্স · 12 খবর
:format(jpeg)/6/5/d/b6aff8af962c4c3d83877b6bd3221d56.jpg)

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী গ্যাব্রিয়েল আটাল সম্প্রতি 'ট্যুর দে ফ্রান্স' নামে একটি প্রচারণা শুরু করেছেন। শনিবার, তিনি সেন্ট-জেনিজের একটি গ্রামে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যেখানে তিনি তাদের সঙ্গে হাত মেলান এবং সেলফি তোলেন। আটাল, যিনি ২০২৪ সালে মাতিনিয়ন প্রধানমন্ত্রীর পদে ছিলেন, তার জনপ্রিয়তা পুনরুজ্জীবিত করতে চান। তিনি বলেন, 'এটি আমাদের প্রচারণার শুরু'। আগামী সপ্তাহগুলোতে তিনি আরও বেশি জনসংযোগ করবেন। আটাল তার প্রচারণায় সাবেক প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাকের স্টাইল অনুসরণ করছেন, যিনি ১৯৯৫ সালে নির্বাচনে সফল হয়েছিলেন। তিনি বলেন, 'আমাদের একটি পরিষ্কার পরিকল্পনা থাকতে হবে' এবং নির্বাচনে জয়ের জন্য একটি ইতিবাচক প্রচারণার প্রয়োজন।
মূল খবরটি পড়ুন →
ফ্রান্সে পানির ব্যবস্থাপনা গত শতকের মাঝামাঝি থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেছে, যেখানে স্থানীয় প্রশাসনকে বেশি সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ১৯৬৪ ও ১৯৯২ সালের আইনগুলোর মাধ্যমে পানির ব্যবস্থাপনা স্থানীয় নদী অববাহিকার ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে। তবে, স্থানীয় ব্যবস্থাপনার এই পরিবর্তনটি এখনও সম্পূর্ণ নয়, কারণ জাতীয় ও ইউরোপীয় নীতিগুলি স্থানীয় সিদ্ধান্তগুলিকে প্রভাবিত করে। বর্তমানে, পানির ব্যবস্থাপনা একটি অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে স্থানীয় ও জাতীয় স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা জরুরি।
মূল খবরটি পড়ুন →
গ্যাব্রিয়েল অ্যাটাল, ৩৭ বছর বয়সী, ২০২৪ সালে ফ্রান্সের ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। তিনি ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পরিকল্পনা করছেন। অ্যাটাল, যিনি এমমানুয়েল ম্যাক্রোঁর দলের প্রধান মুখ হিসেবে পরিচিত, ২২ মে ২০২৬ তারিখে আভেয়রনের মুর-দে-বারেজে তার প্রার্থীতা ঘোষণা করেন। তিনি আগে থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় ছিলেন এবং ২০১৭ সালে ২৮ বছর বয়সে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অ্যাটাল, যিনি ম্যাক্রোঁর 'এন মেম' ধারণার প্রতিনিধিত্ব করেন, বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। তবে, তার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের পর থেকে তার ও ম্যাক্রোঁর মধ্যে সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। তিনি এখন নিজের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করতে চাইছেন, যা আগামী নির্বাচনে ম্যাক্রোঁর প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ করতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন →
ফ্রান্সের সাবেক প্রধানমন্ত্রী গ্যাব্রিয়েল আটাল ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, ফ্রান্সকে 'ভবিষ্যতের দেশ' হিসেবে গড়ে তোলার জন্য তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আটাল তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন এবং তিনি জনগণের উন্নতির জন্য একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন। এদিকে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী এডোয়ার্ড ফিলিপও নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। নির্বাচনের সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে ফ্রান্সের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে উত্তেজনা বাড়ছে।
মূল খবরটি পড়ুন →
প্রতি রবিবার, ফ্রান্সের রাজনৈতিক আলোচনা অনুষ্ঠানে অতিথিদের নিয়ে আলোচনা করা হয়। এই সপ্তাহে, ফ্রান্সের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে, যেখানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইয়ান ব্রোসাত, কমিউনিস্ট পার্টির মুখপাত্র এবং সরকারের মন্ত্রী মড ব্রেগন। ২০২৬ সালে রাজনৈতিক সংকটের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হবে, যেখানে সরকার কিছু অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। অনুষ্ঠানটি ফ্রান্স টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচারিত হবে এবং এটি রাজনৈতিক বিষয়ে গভীর বিশ্লেষণ প্রদান করবে।
মূল খবরটি পড়ুন →ফ্রান্সের প্রথম মহিলা রাজনৈতিক দলের নেতা হুগেট বুশারদো ৯০ বছর বয়সে মারা গেছেন।
মূল খবরটি পড়ুন →ফ্রান্সে বেকারত্বের হার ৮.১% এবং বেকার মানুষের সংখ্যা ২.৬ মিলিয়ন। ১৩ মে ২০২৬ তারিখে ইনসির প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বেকারত্বের হার বাড়ছে, যদিও ফরাসিরা এর প্রতি আগের মতো উদ্বিগ্ন নয়। অর্থনীতিবিদ বার্ট্রান্ড মার্টিনট বলেন, পূর্ণ কর্মসংস্থান একটি 'রাজনৈতিক কল্পনা' হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু দেশে ৩% বা ৩.৫% বেকারত্বের হার স্থায়ীভাবে অর্জন করা সম্ভব, কিন্তু ফ্রান্সে এটি বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে না। অন্যদিকে, মিশেল জেমুর বলেন, বর্তমান সরকার কর্মসংস্থান বৃদ্ধির দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে, যা বেকারত্ব কমানোর থেকে ভিন্ন। যদিও কর্মসংস্থান বাড়ছে, তবে প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে না।
মূল খবরটি পড়ুন →:format(jpeg)/j/t/z/phphapztj.jpg)
ফ্রান্সের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উগ্রপন্থার প্রতি জনসমর্থন বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি জরিপে দেখা গেছে, ৪৫% ফরাসি নাগরিক আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে র্যাস্পব্লিক ন্যাশনাল (আরএন) দলের পক্ষে ভোট দিতে আগ্রহী। অন্যদিকে, বামপন্থী নেতা জঁ-লুক মেলেনচনও তার রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করছেন। উভয় পক্ষের উগ্রপন্থার উত্থানে মধ্যপন্থী দলগুলো উদ্বিগ্ন, কারণ তারা নিজেদের কৌশল নিয়ে দ্বিধায় রয়েছে। এই পরিস্থিতি ফরাসি সমাজের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অক্ষমতার অনুভূতির প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই উগ্রপন্থার উত্থানের পেছনে সমাজের পরিবর্তনশীল মনোভাব এবং সংকটের প্রতি প্রতিক্রিয়া হিসেবে দেখছেন।
মূল খবরটি পড়ুন →
ফ্রান্সের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি জরিপে দেখা গেছে, প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর জনপ্রিয়তা আবারও কমে ২১% এ পৌঁছেছে। এপ্রিলে তার জনপ্রিয়তা ছিল ২৩%, যা বর্তমানে ৭৫% নেতিবাচক মতামতের মধ্যে রয়েছে। অন্যদিকে, সরকারের মন্ত্রী সেবাস্তিয়েন লেকর্নুর জনপ্রিয়তা সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ২৮% হয়েছে। ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে জর্ডান বারডেলা ও মেরিন লে পেন শীর্ষে রয়েছেন। জরিপে দেখা গেছে, ফরাসিদের প্রধান উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার খরচ, যা ৪৯% মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এছাড়া, ৮৮% ফরাসি নাগরিক বিশ্ব অর্থনীতির পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। এই পরিস্থিতি আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক প্রভাব ফেলতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন →