দিভস্কেচ নিউজ
🇬🇧 যুক্তরাজ্য

রাজনীতি

🇬🇧 যুক্তরাজ্য · 12 খবর

🇬🇧 যুক্তরাজ্য · The Independent
যুক্তরাজ্যে ব্রেক্সিটের বিপরীতে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে

ইউরোপীয় ইউনিয়ন যুক্তরাজ্যের সদস্যপদ পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে পারে যদি যুক্তরাজ্য ব্রেক্সিট থেকে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্রিটিশ রাজনীতিতে এই আলোচনা নতুন করে শুরু হয়েছে যখন প্রাক্তন স্বাস্থ্য সচিব ওয়েস স্ট্রিটিং লেবার পার্টির নেতৃত্বের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়নে ফিরে আসার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। ইউরোপীয় সংসদের ইউকে-ইউরোপীয় সংসদীয় সমিতির চেয়ার স্যান্ড্রো গোজি বলেন, যুক্তরাজ্যের পুনরায় যোগদানকে ইউরোপের জন্য একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে যুক্তরাজ্যের পূর্ববর্তী সদস্যপদ এবং ইউরোপের সঙ্গে তার বর্তমান সাদৃশ্যের কারণে পুনরায় যোগদান প্রক্রিয়া অন্যান্য দেশগুলোর তুলনায় দ্রুত হতে পারে। তবে, যুক্তরাজ্যকে ইউরোর সদস্যপদ গ্রহণ করতে হতে পারে, যা বর্তমানে কঠোর শর্তাবলীর কারণে একটি চ্যালেঞ্জ। সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গেছে, ব্রিটিশ জনগণের ৬৩ শতাংশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় এবং ৫৫ শতাংশ পুনরায় যোগদানের পক্ষে।

মূল খবরটি পড়ুন
🇬🇧 যুক্তরাজ্য · The Guardian
যুক্তরাজ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পুনরায় যোগদানের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা

যুক্তরাজ্যের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মিলিব্যান্ড বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নে পুনরায় যোগদানের জন্য একটি 'জাতীয় ঐক্যমত' গড়ে তোলার প্রয়োজন। তিনি সম্প্রতি একটি প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি ইউরোপের সাথে একটি শক্তিশালী সম্পর্কের উপর নির্ভর করে। মিলিব্যান্ড উল্লেখ করেন যে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, 2040 সালের মধ্যে ইউরোপের সাথে সম্পর্কের পুনঃস্থাপন মাত্র ৯ বিলিয়ন পাউন্ড হবে, যা যুক্তরাজ্যের ৩ ট্রিলিয়ন পাউন্ডের অর্থনীতির জন্য অপ্রতুল। তিনি বলেন, ইউক্রেনের সদস্যপদ নিয়ে আলোচনা ইউরোপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাজ্যের জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করা জরুরি। মিলিব্যান্ডের বক্তব্যে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং নেতৃত্বের পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।

মূল খবরটি পড়ুন
🇬🇧 যুক্তরাজ্য · The London School of Economics and Political Science
যুক্তরাজ্যে নতুন শক্তি সংকটের কারণে পরিবারগুলো ঋণের চক্রে আটকা পড়তে পারে

যুক্তরাজ্যে নতুন একটি শক্তি সংকটের কারণে পরিবারগুলো ঋণের চক্রে আটকা পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের গবেষকরা সতর্ক করেছেন যে, সরকারী কিছু স্বল্পমেয়াদী পদক্ষেপ সত্ত্বেও, দীর্ঘমেয়াদে পরিস্থিতি খুবই সংকটজনক। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা যুক্তরাজ্যের পরিবারগুলোর জন্য নতুন চাপ সৃষ্টি করছে। বর্তমানে, একাধিক পরিবার আগের শক্তি সংকটের কারণে ঋণের বোঝা বহন করছে, যা ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর শুরু হয়েছিল। এদিকে, যুক্তরাজ্যের শক্তি নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, দেশজুড়ে ৪ বিলিয়ন পাউন্ডেরও বেশি ঋণ রয়েছে। যদি গ্যাসের দাম বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে, তবে আগামী মাসগুলোতে পরিবারের বিদ্যুৎ বিল আবারও বাড়তে পারে। সরকারী পদক্ষেপগুলো সাময়িক স্বস্তি দিলেও, মৌলিক সমস্যার সমাধান করতে পারছে না।

মূল খবরটি পড়ুন
🇬🇧 যুক্তরাজ্য · GOV.UK
যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর রেচেল রিভসের সংসদে বক্তব্য

যুক্তরাজ্যের চ্যান্সেলর রেচেল রিভস সংসদে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রেখেছেন, যেখানে তিনি ইরানের যুদ্ধের প্রভাব এবং rising costs মোকাবেলার জন্য সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি G7 দেশের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুতগতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ঋণ কমানোর লক্ষ্যে কাজ চলছে। রিভস বলেন, সরকার পরিবার ও ব্যবসায়ীদের সহায়তা করতে প্রস্তুত এবং জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রভাব কমানোর জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি নতুন তহবিল এবং করের পরিবর্তন ঘোষণা করেন, যা বিশেষভাবে জ্বালানি খরচে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্পগুলোর জন্য সহায়ক হবে।

মূল খবরটি পড়ুন
🇬🇧 যুক্তরাজ্য · The London School of Economics and Political Science
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে দুই দলের যুগের অবসান ঘটছে

২০২৬ সালের স্থানীয় ও বিকেন্দ্রীকৃত নির্বাচনে যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তনের একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রবণতা নিশ্চিত হয়েছে, যেখানে দুই দলের যুগের অবসান ঘটছে। সারা হোবোল্টের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্রেক্সিটের পর থেকে এই পরিবর্তন ঘটছে এবং এটি এখনও ব্রিটিশ রাজনীতিতে প্রভাব ফেলছে। নির্বাচনে রিফর্ম ইউকে স্পষ্ট বিজয়ী হয়েছে, তবে লেবার ও কনজারভেটিভ পার্টি উল্লেখযোগ্য ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। বিবিসির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০ শতাংশের নিচে সমর্থন নিয়ে উভয় দলই পিছিয়ে পড়ছে, যা রাজনৈতিক ভাঙনের একটি চিত্র তুলে ধরছে। এই পরিবর্তনগুলি ব্রিটেনকে ইউরোপের অন্যান্য দেশের মতো রাজনৈতিকভাবে বহুদলীয় প্রতিযোগিতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ব্রেক্সিটের ফলে ভোটারদের মধ্যে পার্টি আনুগত্যের অবক্ষয় ঘটেছে, যা নতুন রাজনৈতিক পরিচয়গুলোর দিকে তাদের আকৃষ্ট করেছে।

মূল খবরটি পড়ুন
🇬🇧 যুক্তরাজ্য · Institute for Government
যুক্তরাজ্যে ২০২৬ নির্বাচনের গুরুত্ব ও রাজনৈতিক পরিবর্তন

যুক্তরাজ্যের ২০২৬ সালের নির্বাচনের ফলাফল রাজনৈতিক দৃশ্যপটে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে পারে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টি ৬০০ এর বেশি কাউন্সিল আসন হারিয়েছে, যা প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের জন্য একটি বড় ধাক্কা। এই নির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক দলগুলো, যেমন রিফর্ম পার্টি, গ্রিন পার্টি এবং লিবারেল ডেমোক্র্যাটরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিশেষ করে, রিফর্ম পার্টি জাতীয় ভোটে শীর্ষে রয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল স্থানীয় সরকার ও বিকেন্দ্রীকৃত সরকারের ওপরও প্রভাব ফেলবে, যেখানে ওয়েলসের প্লাইড কামরি সরকার প্রতিষ্ঠা পেয়েছে। এই পরিবর্তনগুলো আগামী সাধারণ নির্বাচনে রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে, যেখানে বিভিন্ন দল একত্রে কাজ করতে বাধ্য হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই নির্বাচনের ফলাফল যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক কাঠামোকে নতুন করে গঠন করতে পারে।

মূল খবরটি পড়ুন
🇬🇧 যুক্তরাজ্য · The Conversation
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক বিভাজন স্পষ্ট, কিয়ার স্টারমারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় নির্বাচনে কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের উপর চাপ বাড়ছে। নির্বাচনের ফলাফল দেখাচ্ছে, প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের আধিপত্যের যুগ শেষ হতে চলেছে। গ্রিন পার্টি তরুণ ও মুসলিম ভোটারদের মধ্যে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে, বিশেষ করে গাজা সংকটের কারণে। স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসে কেন্দ্রীয়-বাম বিচ্ছিন্নতাবাদী দলগুলো ক্ষমতায় এসেছে, আর ইংল্যান্ডে রিফর্ম ইউকে শক্তিশালী হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং দলের জন্য একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ক্ষতির পর, দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। রাজনৈতিক পরিবর্তন এবং নতুন অর্থনৈতিক নীতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা চলছে, যা আগামী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মূল খবরটি পড়ুন
🇬🇧 যুক্তরাজ্য · The New Yorker
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা: নতুন যুগের সূচনা

যুক্তরাজ্যের সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী কির স্টারমারের লেবার পার্টি ৬০০ এর বেশি কাউন্সিল আসন হারিয়েছে, যা রাজনৈতিক অস্থিরতার নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে। রিফর্ম পার্টি, নেতৃত্বাধীন নাইজেল ফারাজ, নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন লাভ করেছে। এই নির্বাচনে পাঁচটি রাজনৈতিক দল ১৫ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী সাধারণ নির্বাচন ২০২৯ সালে অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু লেবার পার্টির জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডেভিড রাঞ্চিম্যান বলেন, যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক কাঠামো এখন একটি বহুদলীয় ব্যবস্থায় পরিণত হচ্ছে, যা পূর্বে কখনো দেখা যায়নি। এই পরিবর্তনগুলো আগামী দিনে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নতুন চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি করতে পারে।

মূল খবরটি পড়ুন