অভিবাসন
🇮🇹 ইতালি · 12 খবর
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়ে একটি নতুন চুক্তির দিকে অগ্রসর হচ্ছে ইতালি। এই চুক্তি অভিবাসন নীতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলবে। ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন →
ইতালিতে একা আসা শিশুদের জন্য সহায়তা ব্যবস্থা সংকটের মুখে পড়েছে। ২৭টি নাগরিক সংগঠন সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে যেন ১৯ বছর পর্যন্ত সহায়তা বন্ধ না করা হয়। তারা বলছে, নতুন আইন প্রস্তাবের কারণে হাজার হাজার শিশুদের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হতে পারে। ২০১৭ সালের আইন অনুযায়ী, এই শিশুদের জন্য নিরাপত্তা ও সমন্বয়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে, যা ইউরোপেও স্বীকৃত। তবে নতুন আইন প্রস্তাবে ১৯ বছর পর সহায়তা বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা শিশুদের সামাজিক অন্তর্ভুক্তি বাধাগ্রস্ত করবে। সংগঠনগুলো সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছে যেন এই আইন সংশোধন করে শিশুদের স্বার্থ রক্ষা করা হয়।
মূল খবরটি পড়ুন →
ইতালির উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি সম্প্রতি বলেছেন, "যদি আমরা আরও সন্তান জন্ম দিই, তবে আমাদের অভিবাসীদের প্রয়োজন কমবে।" এই মন্তব্যটি ইতালির অভিবাসন নীতির প্রতি একটি বিতর্কিত দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করে, যেখানে অভিবাসীদেরকে অস্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে। তাজানির বক্তব্যে অভিবাসীদের মানবিক দিক উপেক্ষা করে তাদেরকে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ইতালির শ্রম বাজারে বিদেশি কর্মীদের অবদান উল্লেখযোগ্য, যেখানে তারা কৃষি, রেস্তোরাঁ ও নির্মাণ খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তবে, এই মন্তব্যের ফলে দেশে অভিবাসন নিয়ে চলমান বিতর্ক আরও তীব্র হতে পারে, বিশেষ করে যখন ইতালির সমাজে অভিবাসীদের একটি বড় অংশ ইতিমধ্যেই বসবাস করছে।
মূল খবরটি পড়ুন →

ইতালির জনসংখ্যা ও অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য মানবসম্পদে বিনিয়োগ অপরিহার্য বলে জানিয়েছে আইস্ট্যাট। দেশের শিক্ষার প্রতি বিনিয়োগ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্তির একটি উপায় হিসেবে দেখতে হবে। ২০২৫ সালে ইতালির জনসংখ্যা ৫৮.৯ মিলিয়ন, তবে জন্মহার কমে যাওয়ায় জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। কর্মসংস্থান বাড়লেও, যুব ও নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি। ২০০৭ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে উচ্চশিক্ষিত কর্মীদের সংখ্যা ৭০% বেড়েছে, কিন্তু উৎপাদনশীলতা এখনও সন্তোষজনক নয়। সরকারের উচিত যুব ও নারীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং সামাজিক বৈষম্য দূর করা।
মূল খবরটি পড়ুন →ইতালির জাতীয় পরিসংখ্যান ইনস্টিটিউট (আইস্ট্যাট) সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে দেশের জনসংখ্যার বৃদ্ধির সমস্যা এবং নারীদের, যুবকদের ও অভিবাসীদের প্রতি অবহেলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতালির অর্থনীতি এখনও সংকটের মধ্যে রয়েছে, যেখানে উৎপাদনশীলতার দুর্বলতা এবং বিনিয়োগের অভাব প্রধান সমস্যা। ২০২৫ সালের মধ্যে, ইতালিতে ১১ মিলিয়ন মানুষ দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে থাকবে, যা দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যকে আরও বাড়িয়ে তুলবে। প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে যে, যুবকদের মধ্যে কর্মসংস্থান হার ইউরোপের গড়ের তুলনায় কম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তারা নিম্নমানের চাকরিতে নিয়োজিত হচ্ছে। এছাড়াও, অভিবাসীদের অবদান ইতালির অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ, তবে তাদেরকে এখনও অস্থায়ী সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি দেশের সামাজিক কাঠামোর জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে।
মূল খবরটি পড়ুন →
ইতালির অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে দেশটি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায় কম বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে, তরুণ, নারী ও অভিবাসীদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। ২০২৫ সালের মধ্যে, ইতালির জিডিপি বৃদ্ধির হার ০.৫% হবে, যা স্পেনের ২.৮% এর তুলনায় অনেক কম। প্রতিবেদনটি উল্লেখ করে যে, ইতালির জনসংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে এবং এর ফলে শ্রম বাজারের গঠনও বিপর্যস্ত হচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য তরুণদের, নারীদের এবং অভিবাসীদের সম্পূর্ণরূপে কাজে লাগানো জরুরি।
মূল খবরটি পড়ুন →
২০২৫ সালে ইতালি থেকে প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ৮.৬ বিলিয়ন ইউরো পৌঁছেছে, যা দেশটির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশি অভিবাসীরা এই রেমিট্যান্সের মধ্যে ১.৭ বিলিয়ন ইউরো পাঠিয়েছে, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ২০%। ইতালিতে বাংলাদেশি জনগণের সংখ্যা প্রায় ১৪০,০০০, কিন্তু প্রতি ব্যক্তি গড়ে ৬৫৮ ইউরো পাঠাচ্ছে, যা জাতীয় গড়ের প্রায় পাঁচ গুণ। অন্যদিকে, ভারতের রেমিট্যান্স প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ইউরো এবং মরক্কোর ৫৮০ মিলিয়ন ইউরো। চীনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে, যা ২০১১-১২ সালে ৩ বিলিয়ন ইউরো থেকে ২০২৫ সালে মাত্র ৪ মিলিয়ন ইউরোতে নেমে এসেছে। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৮% অবদান রাখে এবং এটি দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রার উৎস।
মূল খবরটি পড়ুন →
ইতালিতে অভিবাসীদের নাগরিকত্বের অভাব এবং সামাজিক বৈষম্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞরা। ২০২৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ১৩% জনসংখ্যা অভিবাসী হলেও, ইতালিতে নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে বৈষম্য বাড়ছে। দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসীদের সংখ্যা ১.৩ মিলিয়নের বেশি, কিন্তু তারা এখনও সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমানাধিকারের অভাবে ভুগছে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ইতালির অভিবাসীদের কর্মসংস্থান পরিস্থিতি অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলোর তুলনায় খারাপ। যদিও শিক্ষার ক্ষেত্রে কিছু উন্নতি হয়েছে, অভিবাসীরা এখনও নিম্ন-মানের চাকরিতে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অভিবাসীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে কার্যকর নীতির প্রয়োজন।
মূল খবরটি পড়ুন →
ইতালির এমিলিয়া-রোমাগ্না অঞ্চল বিদেশি শিক্ষার্থী ও উদ্যোক্তাদের জন্য শীর্ষস্থানীয় হয়ে উঠেছে। ২০২৪ সালে, এই অঞ্চলে বিদেশিদের সংখ্যা ১২.৯% এবং বিদেশি উদ্যোক্তাদের সংখ্যা ১৪.৩%। বিদেশি কর্মীদের দ্বারা উৎপাদিত মোট সম্পদ ১২.২% বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রায় ২১.৫ বিলিয়ন ইউরো। তবে, বিদেশি জনগণের মধ্যে বেকারত্বের হার এখনও উচ্চ। এমিলিয়া-রোমাগ্নায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিক্ষার হার বাড়ছে, কিন্তু তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ এখনও স্থানীয়দের তুলনায় কম। স্থানীয় সরকার বিদেশিদের জন্য আরও কার্যকর নীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।
মূল খবরটি পড়ুন →
ইতালির ইউরোপীয় বিষয়ক মন্ত্রী টমাসো ফোটি ১৬ মে ২০২৬ তারিখে বলেছেন, ইউরোপের দেশগুলো এখন ইতালির অভিবাসন ও নিরাপত্তা নীতির দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে বিরোধীরা যাকে একক অবস্থান বলেছিল, এখন সেটি ইউরোপের একটি সম্মিলিত দৃষ্টিভঙ্গি হয়ে উঠেছে। ফোটি জানান, ইউরোপীয় কাউন্সিল নতুন অভিবাসন ব্যবস্থাপনা ও অপরাধী বিদেশিদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের জন্য নতুন সমাধান খুঁজছে। তিনি বলেন, ইতালি নিরাপত্তা, সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ এবং অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউরোপের জন্য একটি মডেল হয়ে উঠেছে। সরকারের এই পদক্ষেপগুলো ইউরোপের মধ্যে ইতালির অবস্থানকে শক্তিশালী করেছে এবং নিরাপত্তা ও আইনের প্রতি সম্মান বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করছে।
মূল খবরটি পড়ুন →