রাজনীতি
🇵🇹 পর্তুগাল · 12 খবর
মার্কো রুবিওসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা পর্তুগালের প্রতি তাদের প্রশংসা প্রকাশ করেছেন। যদিও মার্কো রুবিওর পর্তুগাল সম্পর্কে উচ্ছ্বাসের কারণে পর্তুগাল সরকারের মধ্যে কিছু বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে, তবে মার্কো রুবিওর মন্তব্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আমেরিকার পররাষ্ট্র দপ্তরও এ বিষয়ে কিছু বলার প্রয়োজন মনে করেনি। এই পরিস্থিতিতে, পর্তুগাল তার উন্নয়ন নিয়ে চিন্তিত, কিন্তু রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যে একটি কুইজ আয়োজন করা হয়েছে, যা পর্তুগালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য দেয়।
মূল খবরটি পড়ুন →
পর্তুগালের রাষ্ট্রপতি আন্তোনিও জোসে সেগুরো লুক্সেমবার্গে ৫ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত সফর করবেন। এই সফরের সময় তিনি পর্তুগালের জাতীয় দিবস উদযাপন করবেন এবং দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য গ্র্যান্ড ডিউক ও গ্র্যান্ড ডাচেসের আমন্ত্রণে অংশ নেবেন। সফরের সময়, প্রধানমন্ত্রী লুইস মন্টেনেগ্রো এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যও তার সঙ্গে থাকবেন। রাষ্ট্রপতি সেগুরো তার প্রথম ১০ জুনের অনুষ্ঠানে আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করবেন।
মূল খবরটি পড়ুন →
এক বছর আগে আলিয়ান্স ডেমোক্রাটিকা (এডি) নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর, পর্তুগালবাসীরা নতুন সরকারের কার্যক্রম নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন। গত বছরের ১৮ মে নির্বাচনের সময় তাদের প্রত্যাশা ছিল অনেক বেশি, কিন্তু বর্তমান সরকারের কাজের প্রতি তাদের মূল্যায়ন নেতিবাচক।
মূল খবরটি পড়ুন →যুক্তরাষ্ট্র পর্তুগালের লাজেস বিমানঘাঁটির প্রশংসা অব্যাহত রেখেছে। যদিও কিছু রাজনৈতিক চাপ রয়েছে, ওয়াশিংটন তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি। এই বিমানঘাঁটি পর্তুগালের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থান, যা আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি পর্তুগালের নিরাপত্তা এবং কৌশলগত স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
মূল খবরটি পড়ুন →
পর্তুগাল সম্প্রতি ইতালির প্রস্তাবকে সমর্থন করেছে, যাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ইসরায়েলের নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতার মার গিভির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে গ্লোবাল সুমুদ নামক একটি নৌযানের আন্দোলনের কর্মীদের প্রতি ইসরায়েলি বাহিনীর আচরণ। পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাওলো রাঞ্জেল জানান, তারা ইতোমধ্যে ব্রাসেলসে এই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়েছিল। এই নতুন প্রস্তাবের মাধ্যমে পর্তুগাল আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষায় তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
মূল খবরটি পড়ুন →
পর্তুগাল একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সুযোগের মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ইউরোপীয় সামরিক উপস্থিতি পুনর্বিবেচনা করছে। গত ১২ মে পন্টা ডেলগাডায় অনুষ্ঠিত একটি সম্মেলনে, আঞ্চলিক সরকারের প্রেসিডেন্ট জোসে ম্যানুয়েল বোলেইরো মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, পর্তুগালকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক শক্তিশালী করতে হবে এবং লাজেস বিমানঘাঁটিকে কৌশলগতভাবে ব্যবহার করতে হবে। নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এই সম্পর্ক অপরিহার্য। পর্তুগালকে অবশ্যই শক্তিশালী অবস্থান নিয়ে আলোচনা করতে হবে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্পষ্ট সুবিধা দাবি করতে হবে।
মূল খবরটি পড়ুন →
পর্তুগালের ইন্টারক্যাম্পাস জরিপে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৭৬.৬% মানুষ সরকারের সংকট মোকাবিলার উদ্যোগকে অপ্রতুল মনে করছেন। এই জরিপটি ২১ মে, ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয় এবং এতে দেখা গেছে, মাত্র ১৪.২% মানুষ সরকারের কার্যক্রমকে সমর্থন করছেন। বিশেষ করে, ইরানে চলমান যুদ্ধের প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপগুলোকে জনগণ যথেষ্ট কার্যকর মনে করছেন না। জরিপের ফলাফল সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, কারণ এটি জনগণের অসন্তোষের প্রতিফলন ঘটাচ্ছে। পরবর্তী সময়ে সরকারের উচিত হবে জনগণের এই উদ্বেগের প্রতি মনোযোগ দেওয়া এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
মূল খবরটি পড়ুন →সার্জিও সোসা পিন্টো, একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক, পর্তুগালের সরকারের বিদেশনীতি নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ইসরায়েলের বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পেছনে লুকিয়ে আছে এবং এর ফলে পর্তুগালের বিদেশনীতি 'অবসন্ন' হয়ে পড়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই নীরবতা দেশের জন্য 'লজ্জাজনক'। তার মন্তব্যগুলি দেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান এবং নীতির প্রতি জনগণের উদ্বেগকে তুলে ধরছে।
মূল খবরটি পড়ুন →