ব্রিটেনে শরণার্থী ও আশ্রয় নীতির সাম্প্রতিক পরিবর্তন
ব্রিটেনের হোম অফিস সম্প্রতি শরণার্থী ও আশ্রয় নীতিতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করেছে। তারা ৫৬ দিনের মুভ-অন পাইলট প্রকল্পের স্বাধীন মূল্যায়ন প্রকাশ করেছে। এতে দেখা গেছে, নতুন শরণার্থীদের আশ্রয় সহায়তা শেষ হওয়ার আগে বেশি সময় দিলে তারা ভালোভাবে পরিকল্পনা করতে পারে এবং মানসিক সহায়তা পায়। এতে সংকট পরিস্থিতি, সুরক্ষা উদ্বেগ ও বিচারিক আপিল কমে। কিন্তু মার্চে সরকার ৫৬ দিনের পরিবর্তে ৪২ দিনের মুভ-অন সময় নির্ধারণ করে, যা এই প্রমাণের আগে করা হয়। আইপিপিআর (ইমিগ্রেশন ও পাবলিক পলিসি রিসার্চ) সতর্ক করেছে, আশ্রয় কেন্দ্র ত্যাগের পর বাড়িঘরহীন মানুষের সংখ্যা বাড়তে পারে। বর্তমানে আশ্রয় আবেদন প্রক্রিয়ার ব্যাকলগ কমাতে হোম অফিস দ্রুত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, ফলে অনেকেই বাসস্থান বা সুবিধা ছাড়া বের হচ্ছে। আইপিপিআর ৪২ দিনের সময় শুরু হওয়া উচিত যখন কেউ বাসস্থান ছাড়ার নোটিশ পায়। ব্রেক্সিট রেফারেনডামের দশ বছর পূর্তিতে হোম অফিস স্বীকার করেছে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন সিটিজেনশিপ স্কিমের আবেদন প্রক্রিয়ায় বিলম্ব কিছু নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘন করেছে। তবে তারা দুর্বল গোষ্ঠীর প্রতি বিলম্বের প্রভাব পর্যবেক্ষণ এবং অধিকার সংরক্ষণকারী সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগের সুপারিশ মানেনি। শরণার্থী আপিলের ব্যাকলগ এখন ৮৭,০০০-এর বেশি, নতুন মামলা নিষ্পত্তিতে তিন বছর সময় লাগতে পারে। হাই কোর্ট হোম অফিসের শরণার্থী বাসস্থান নীতির অবৈধতা স্বীকার করেছে, যা নির্যাতন ও পাচার ভুক্তভোগীদের সুরক্ষা দেয়। স্কটল্যান্ডে বয়স নির্ধারণে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত এসেছে, যা আপিলাধীন। ব্রিটেনে শরণার্থী সপ্তাহ উপলক্ষে বিভিন্ন আলোচনা ও ইভেন্ট হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলো শরণার্থীদের জন্য আশ্রয় প্রক্রিয়া ও সুরক্ষায় প্রভাব ফেলবে।
মূল খবরটি পড়ুন — Free Movementfreemovement.org.uk · English


