এনএইচএস ইংল্যান্ডের ট্রান্স ব্যক্তিদের নীতি ‘কিছু নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে’
এনএইচএস ইংল্যান্ড (যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা) সম্প্রতি এক নতুন নীতি প্রকাশ করেছে। এই নীতিতে বলা হয়েছে, হাসপাতালের একক লিঙ্গের ওয়ার্ড, টয়লেট ও পরিবর্তন কক্ষ ব্যবহার করা হবে ব্যক্তির জীববৈজ্ঞানিক লিঙ্গ অনুযায়ী, তাদের লিঙ্গ পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়। এই নীতির কারণে ট্রান্সজেন্ডার ব্যক্তিরা স্বাস্থ্যসেবা পেতে দেরি করতে পারেন এবং ‘করিডোর কেয়ার’ বা ওয়ার্ডের বাইরে থাকা ঝুঁকি বাড়তে পারে। তারা হয়তো বৈষম্যের শিকার হতে পারেন বা নিজের লিঙ্গ পরিচয় প্রকাশের ভয়ে চিকিৎসা নিতে এড়াতে পারেন। নীতিটি নারীদের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বাড়াতে সাহায্য করবে, তবে ট্রান্স ব্যক্তিদের জন্য কিছু নেতিবাচক প্রভাব থাকতে পারে। ২০২৫ সালে সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে বলা হয়েছে, 'মহিলা' ও 'লিঙ্গ' শব্দের অর্থ জীববৈজ্ঞানিক লিঙ্গ, যা ট্রান্স মহিলাদের অন্তর্ভুক্ত করে না। নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, ক্লিনিক্যাল প্রয়োজন অনুযায়ী রোগীদের আলাদা করা হবে এবং জরুরি বিভাগ বা আইসিইউতে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না। এই পরিবর্তন ট্রান্স ব্যক্তিদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।
মূল খবরটি পড়ুন — The Guardiantheguardian.com · English




