কিংস কলেজ লন্ডনের রিপোর্টে ইউকে অভিবাসনে ডিএনএ জটিলতা
কিংস কলেজ লন্ডনের একটি নতুন রিপোর্টে যুক্তরাজ্যের অভিবাসন মামলায় ডিএনএ পরীক্ষার জটিলতা ও অস্পষ্টতার কথা বলা হয়েছে। রিপোর্টে দেখা গেছে, পরিবারের সদস্যদের সম্পর্ক প্রমাণে ডিএনএ পরীক্ষার নিয়মাবলী অস্পষ্ট, বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রের মান ভিন্ন, খরচ বেশি এবং প্রক্রিয়ায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। বিশেষ করে শিশুদের অভিবাসনের ক্ষেত্রে, যারা অভিভাবক নয় এমন আত্মীয়ের সঙ্গে থাকার চেষ্টা করে, সেখানে এই সমস্যা বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল প্রায়ই ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। অনেক সময় পরীক্ষার ফলাফল স্পষ্ট না হলেও তা সম্পর্কের বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে ধরা হয়। ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল নির্ভর করে সম্পর্কের ধরন, পরীক্ষায় কারা অংশ নিচ্ছে এবং ব্যবহৃত পদ্ধতির ওপর। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ডিএনএ প্রমাণকে অনেক সময় অন্য প্রমাণের থেকে বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে করা হয়, যা ভুল ধারণা। বিভিন্ন পরীক্ষাকেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় পার্থক্য থাকায় পরিবারের সদস্যরা সঠিক পরীক্ষা বেছে নিতে পারেন না। অনেক সময় পিতৃত্ব পরীক্ষা দিয়ে অন্য সম্পর্ক প্রমাণের চেষ্টা করা হয়, যা ফলাফলকে অস্পষ্ট করে। এছাড়া, পরীক্ষার খরচ ও বাজারের প্রভাবও পরীক্ষার ধরন নির্ধারণ করে। রিপোর্টে উল্লেখ আছে, ডিএনএ পরীক্ষা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বেচ্ছামূলক হলেও অন্যান্য প্রমাণ না থাকলে তা গ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে অভিবাসীদের জন্য পরিষ্কার ও মানসম্মত ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে।
মূল খবরটি পড়ুন — Electronic Immigration Networkein.org.uk · English



