যুক্তরাজ্যের অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশনের গোপনীয়তা মূল্যায়ন প্রকাশ
যুক্তরাজ্যের হোম অফিস লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তির জন্য ডেটা সুরক্ষা প্রভাব মূল্যায়ন (DPIA) প্রকাশ করেছে। এই মূল্যায়নে সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার এবং অপারেশনাল প্রসেসিং অন্তর্ভুক্ত। সরকারী ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এটি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ বিভাগ কীভাবে এই প্রযুক্তির ডেটা সুরক্ষা ঝুঁকি কমাচ্ছে তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছে। ৬৩ পৃষ্ঠার এই নথিতে লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি প্রয়োগের সময় যে প্রশ্নগুলো জিজ্ঞাসা করতে হবে তা উল্লেখ রয়েছে। এতে ব্যক্তিগত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ঝুঁকি যেমন ভুল শনাক্তকরণ, মানবিক ভুল, গোষ্ঠীগত পক্ষপাত এবং তথ্য সংরক্ষণ প্রথা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ঝুঁকি কমানোর জন্য হোম অফিস অনুমোদিত সিস্টেম ব্যবহার, মানব পর্যবেক্ষণ, দ্বিতীয় পরিচয় যাচাই, জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগ এবং কঠোর নিয়ন্ত্রণের মতো ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নথিতে বলা হয়েছে, লাইভ ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি ব্যক্তিগত গোপনীয়তায় হস্তক্ষেপ করে, কারণ এটি জনসমক্ষে ব্যক্তিদের মুখের ছবি রিয়েল-টাইমে ক্যাপচার ও তুলনা করে। তবে এই হস্তক্ষেপ সীমিত এবং অপারেশনাল নকশার মাধ্যমে যেমন অ্যালার্ট না হওয়া ব্যক্তিদের বায়োমেট্রিক তথ্য তৎক্ষণাৎ মুছে ফেলা হয়, তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। প্রযুক্তি আইন অনুযায়ী অপরাধ দমন বা অভিবাসন নীতি প্রয়োগের জন্য ব্যবহার হয় এবং কঠোর নিরাপত্তা বিধি মেনে চলে। শুধুমাত্র যাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে তাদের শনাক্তকরণ করা হয় এবং অন্যদের তথ্য রাখা হয় না। প্রযুক্তি নিজে কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না, সব অ্যালার্ট মানুষের দ্বারা যাচাই করা হয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহারে ডেটা সুরক্ষা ও মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করা হয়। এতে অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে প্রযুক্তির ব্যবহার আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ হবে।
মূল খবরটি পড়ুন — Biometric Updatebiometricupdate.com · English



