যুক্তরাজ্যে ম্যানোস্ফিয়ার ও অনলাইন নারীবিদ্বেষকে জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে দেখার দাবি
যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ম্যানোস্ফিয়ার এবং অনলাইন নারীবিদ্বেষকে সরকারকে জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা উচিত। এটি ওবেসিটি (অতিরিক্ত ওজন) বা ধূমপানের মতোই গুরুত্বের দাবি রাখে। ল্যানসেট নামক চিকিৎসা জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সমস্যার মোকাবিলায় সরকার, স্কুল, স্বাস্থ্যসেবা ও সমাজসংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ম্যানোস্ফিয়ার বলতে বোঝানো হয়েছে এমন একটি অনলাইন সম্প্রদায় যেখানে পুরুষত্ব, নারী বিদ্বেষ এবং পুরুষদের ভুক্তভোগিতার ধারণা প্রচারিত হয়। এই সম্প্রদায়টি একটি লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হয়েছে যা সবচেয়ে চরম নারী বিদ্বেষ এবং ক্ষুব্ধ পুরুষত্বকে প্রচার করে অর্থ উপার্জন করে। গবেষকরা বলেন, মেয়েদের প্রতি দোষারোপ করে পুরুষদের সমস্যাগুলোকে ভুলভাবে ফেমিনিজমের ফল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তারা আরও বলেন, এই সমস্যা সমাধানে শুধুমাত্র ম্যানোস্ফিয়ার বন্ধ করলেই হবে না, বরং তরুণ পুরুষদের জন্য বিকল্প ও সমর্থনমূলক কিছু দেওয়া জরুরি। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে ছেলেদের শিক্ষাজীবন থেকে বিচ্ছিন্নতা, একাকীত্ব, আর্থিক উদ্বেগ ও সামাজিক বঞ্চনা তাদের অনলাইন এই সম্প্রদায়ের প্রতি আকৃষ্ট করে। যুক্তরাজ্যের পুরুষ ও ছেলেদের মন্ত্রী জেক রিচার্ডস বলেছেন, এটি শুধুমাত্র পুরুষদের সমস্যা নয়, এটি একটি বৃহত্তর সামাজিক চ্যালেঞ্জ। তিনি ম্যানোস্ফিয়ার ভেঙে ফেলার এবং তরুণ পুরুষদের সুযোগ ও আদর্শ দেওয়ার জন্য কাজ করবেন। এই প্রতিবেদনটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে ম্যানোস্ফিয়ার ও অনলাইন নারী বিদ্বেষের গুরুত্ব তুলে ধরেছে, যা সমাজের জন্য একটি বড় উদ্বেগের বিষয়।
মূল খবরটি পড়ুন — The Guardiantheguardian.com · English




