অ্যান্ডি বার্নহ্যাম: ‘আমি আশা নিয়ে কথা বলব যতক্ষণ ব্রিটেনবাসী তা অনুভব করে’
অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দাউনিং স্ট্রিটে প্রবেশের পর ১০০ দিন পার করেছেন। তিনি বলছেন, ব্রিটেনের জন্য ৪০ বছরে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি কাজ শুরু করেছিলেন। বার্নহ্যাম মনে করেন, ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেন দীর্ঘ সময় ধরে বিভক্ত ও স্থবির ছিল। এখন দেশটি একটি ইতিবাচক ও ঐক্যবদ্ধ পথে এগোচ্ছে। তিনি দেশের মানুষের কাছ থেকে বারবার শুনছেন, “আশার কথা বলো।” তাই তিনি থামবেন না।
বার্নহ্যাম বলেন, austerity (কঠোর অর্থনৈতিক নীতি) এবং ব্রেক্সিট ব্রিটেনকে দুর্বল করেছে। তাই একবারে বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। তিনি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও রাজনীতির নতুন ধারা দরকার বলে মনে করেন। তার ১০ বছরের পরিকল্পনা শিগগিরই প্রকাশ পাবে। গত বাজেট ছিল এর প্রথম ধাপ, যা স্থিতিশীলতা তৈরি করেছে এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে সাহায্য করবে।
বিশেষ করে শক্তি খাতে সংস্কার জরুরি। বাজেটে ইউরোপীয় দেশগুলোর মতো কম বিদ্যুৎ বিল আনার পথ দেখানো হয়েছে। এছাড়া রাজ্যের ক্ষমতা স্থানীয় পর্যায়ে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা স্থানীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে। বার্নহ্যাম নো ১০ নর্থ নামে একটি প্রকল্প শুরু করেছেন, যা ব্রিটেনের সব অঞ্চলে উন্নয়ন নিশ্চিত করবে।
তিনি ব্রিটেনের পুনঃশিল্পায়নের ওপর জোর দিয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে ডার্বির রোলস-রয়েস কোম্পানির কথা উল্লেখ করেছেন, যা বাজেটের মাধ্যমে আগামী দশকে সম্প্রসারণ করবে। তিনি তরুণদের জন্য প্রযুক্তিগত শিক্ষা ও ব্যক্তিগত সহায়তা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছেন। বার্নহ্যাম বলেন, এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনাই ব্রিটেনকে বদলে দেবে এবং তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, মানুষ শিগগিরই তার আশার বার্তা অনুভব করবে।
মূল খবরটি পড়ুন — The Observerobserver.co.uk · English




