ব্রিটেনের বিদেশি ভূখণ্ড রক্ষার সক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ
যুক্তরাজ্যের বিদেশি ভূখণ্ড রক্ষা করার ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েই চলেছে। ইউক্রেন আক্রমণের পর আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নিয়মাবলী ভেঙে পড়েছে। পশ্চিমা আধিপত্যের অবনতি এবং চীন ও অন্যান্য শক্তির উত্থানের কারণে যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বেড়েছে। ন্যাটো এখন আগের মতো ঐক্যবদ্ধ নয়, আর যুক্তরাষ্ট্রও সবসময় যুক্তরাজ্যের পক্ষে দাঁড়াবে না। সামরিক সক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে, বিশেষ করে রয়্যাল নেভির যুদ্ধজাহাজের সংখ্যা কমে ১৩ থেকে ৭-এ নেমেছে। এ কারণে ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড রক্ষায় ব্রিটেনের সক্ষমতা প্রশ্নবিদ্ধ। ২০২২ সালে ইরানি ড্রোন আক্রমণের পর নৌবাহিনী সাইপ্রাসে পৌঁছাতে এক সপ্তাহের বেশি সময় নিয়েছে। প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়ানো না হলে এই অবস্থা আরও খারাপ হবে। জার্মানি ২০২৯ সালের মধ্যে জিডিপির ৩.৫% প্রতিরক্ষায় ব্যয় করবে বলে ঘোষণা করেছে, কিন্তু যুক্তরাজ্যের সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ৩% পর্যন্ত বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় বিদেশি ভূখণ্ডের রক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং নৌবাহিনী শক্তিশালী করতে হবে। সরকার যদি যথাযথ অর্থায়ন না করে, তাহলে দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বে।
মূল খবরটি পড়ুন — Politics.co.ukpolitics.co.uk · English




