ড্রামক্রী সংঘর্ষ: রাজনীতি ও প্রতিষ্ঠান ব্যর্থতা
উত্তর আয়ারল্যান্ডে ড্রামক্রী চার্চ থেকে গারভাগি রোড পর্যন্ত অরেঞ্জ অর্ডারের মার্চ নিয়ে পুরনো বিরোধ আবার জ্বলজ্বল করছে। এই ঘটনা বেলফাস্ট চুক্তি স্বাক্ষরের প্রায় তিন দশক পর নাগরিক সমাজের দুর্বল দিকগুলো প্রকাশ করেছে। ১৯৯৮ সালে গঠিত প্যারেডস কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ। আদালত বলেছে, তারা পোর্টাডাউনের আবেদন স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়া করছিল এবং তাদের সিদ্ধান্ত বোঝা কঠিন। এই সিদ্ধান্তের পর হাজার হাজার মানুষ প্রতিবাদে বসে পড়ে, যার সঙ্গে জাতীয়তাবাদী রাজনীতিবিদ মিশেল ও’নিলও যোগ দেন। এতে ইউনিয়নিস্টদের ক্ষোভ দেখা দেয় এবং তারা শাসকের বিরুদ্ধে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে। প্যারেড নিয়ন্ত্রণে পূর্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সফল হলেও ড্রামক্রী একমাত্র ব্যতিক্রম। এখানে পুরনো ধর্মীয় বিদ্বেষ এখনও গভীর। পুলিশ (PSNI) তাদের ভূমিকা নিয়ে সমালোচিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো আঘাতের খবর নেই। আপিল আদালত সোমবার এই বিষয়ে শুনানি করবে এবং সবাই তার সিদ্ধান্ত মেনে চলা উচিত। তবে প্রকৃত সমাধান হবে প্রতিবেশীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের মাধ্যমে। বর্তমানে দুই প্রধান দল নিজেদের মধ্যে উত্তেজক ও অবিচলিত কণ্ঠস্বরের মুখে সমাধান খুঁজতে ব্যর্থ হচ্ছে। ১৯৯৮ সালের কাঠামো এবং ২০০৬ সালের সেন্ট অ্যান্ড্রুজ চুক্তি ভাগাভাগি ক্ষমতার মাধ্যমে বিশ্বাস গড়ার আশা করেছিল, যা এখন কম কার্যকর মনে হচ্ছে। এই ঘটনা ইউরোপের শান্তি প্রক্রিয়ার দুর্বলতা তুলে ধরে।
The Irish Times·২/১০/২০২৬